বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২০ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
কৈলাশে ফিরে গেলেন মা দুর্গা: সৈকতে প্রতিমা বিসর্জনে লাখো মানুষের ঢল হিমছড়ি সৈকতে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২ সৌদি আরবের মদিনা-পূর্বাঞ্চলে ৫টি ড্রোন ছুড়ল হুথিরা স্থানীয় নির্বাচন: বিদ্যমান আইনেই তফসিল, সুযোগ থাকছে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উখিয়া ও টেকনাফে পৃথক অভিযানে ৪ লাখ ৬০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৪ আমার নামে মামলা দেন, নিজে গিয়ে জেলে যাব: ইশরাক বাস-ট্রাক সং’ঘ’র্ষে নি’হ’ত ১৪, পরিচয় মিলেছে ৯ জনের অবশেষে বাতিল তৃতীয় শ্রেণির ল্যাব সহকারী ফারুকের ডিলার মহেশখালীতে সারের সব ডিলার এমপি আলমগীর ফরিদ ‘বিএনপি পন্থী’, তৃণমূলজুড়ে চরম অসন্তোষ উখিয়ার সোনাইছড়িতে ছুরিকাঘাতে যুবক আহত

চৈত্র সংক্রান্তি আজ

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

বুকে করোনার ক্ষত নিয়ে আজ মঙ্গলবার শেষ হচ্ছে ১৪২৭ বঙ্গাব্দ। আজ চৈত্র সংক্রান্তি। আজকের সূর্যাস্তের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে পুরোনো বছর। দেশবাসী আগামীকাল (বুধবার) নতুন বাংলা বছরকে বরণ করবে। জীর্ণ, পুরাতন ফেলে নতুনকে বরণ করা হবে মঙ্গলালোকে। শত ফুল ফোটার বসন্ত শেষ হচ্ছে চৈত্রের শেষ দিনেই।

পাওয়া না পাওয়ার হিসেব কষে আজ বড় হয়ে উঠছে করোনার সংক্রমণ। প্রাণহানি বেড়ে যাওয়ায় বাংলা বছরের বিদায় দিনেও বাঙালি জীবনে আজ নেমেছে বিষাদ। বাঙালি সংস্কৃতিতে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে এই দিন। বাঙালির জীবনে ও লোকাচারে বিশেষভাবে চিহ্নিত এই দিনটি। বছরকে আনুষ্ঠানিক বিদায় জানানোর রীতি এ অঞ্চলে আবহমানকালের। তাই রয়েছে প্রস্তুতিও। যদিও পরিস্থিতির কারণে কোথাও এই প্রস্তুতি সীমিত।

বাংলা বছরের এই দিনটিকে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা পুণ্য দিন বলে মনে করেন। বাংলা বছরের শেষ দিন চৈত্র সংক্রান্তিতে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা স্নান, দান, ব্রত ও উপবাসের মধ্য দিয়ে অন্যরকমভাবে পালন করেন।

বিদায়ের উৎসব পালন করেন ব্যবসায়ীরা। শুচি-শুদ্ধ হয়ে ব্যবসায়ীরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও নতুন করে সাজিয়ে তোলেন। আগের পুরোনো সব জঞ্জাল পরিষ্কার করেন। পুরোনো সব হিসাব চুকিয়ে নতুন হালখাতা খোলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। নতুন বছরের প্রথম দিনে হালখাতা খোলা হয়।

রাজধানীর তাঁতীবাজার, শাঁখারী বাজার, লক্ষ্মীবাজার, বাংলাবাজার বা চক বাজারের মতো এলাকায় বছরের শেষ দিন ঘিরে চলবে নতুন আয়োজন। ধুপগন্ধে সুরভিত হবে, নতুন রঙ-ঢঙয়ে শোভিত হবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। সারা দেশেই এই প্রস্তুতি রয়েছে। তবে পার্বত্য জেলাগুলোয় কয়েকদিন আগে থেকেই শুরু হয়েছে প্রস্তুতি, নানা আয়োজন।

এবার করোনার পরিস্থিতি উদ্বেগ ছড়াচ্ছে। বুধবার থেকে কার্যত লকডাউনে যাচ্ছে দেশ। করোনায় প্রাণহানি, সংক্রমণ থেকে রেহাই পেতে উৎসব, অনুষ্ঠান সীমিত বা অনলাইন কেন্দ্রিক করা হচ্ছে। চৈত্র সংক্রান্তিতে এবার আগের বছরগুলোর মতে উৎসব মুখর মেলা হচ্ছে না।

দেশের বিভিন্ন স্থানে চৈত্র সংক্রান্তির মেলা উপলক্ষে গৃহস্থরা মেয়ের জামাইকে সমাদর করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। নতুন পোশাক পরিধানের রীতি তো বহু আগের। আবহমান বাংলার চিরায়ত ঐতিহ্যকে ধারণ করে আছে চৈত্র সংক্রান্তি। কথিত আছে, চৈত্র সংক্রান্তিকে অনুসরণ করেই পহেলা বৈশাখ উদযাপনের বর্ণিল নানা আয়োজন সূচনা করা হয়েছিল।

গতবারের মতো এবারও পয়লা বৈশাখসহ সবধরনের সমাগমের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। সারা দেশে ১৪ এপ্রিল থেকে সাতদিনের জন্য লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগে ৫ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত প্রথম বিধিনিষেধের আরও দুইদিন বর্ধিত করে ১৪ এপ্রিল ভোর পর্যন্ত চলমান করা হয়। এই অবস্থায় চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে কোনো আনুষ্ঠানিকতা থাকছে না। থাকবে না উৎসবের আমেজ। গত বছরের মতো এবারও বর্ষবরণ উৎসবের উপর সরকার বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে লোক সমাগম এড়িয়ে ভার্চুয়াল অনুষ্ঠান আয়োজনের কথা বলা হয়েছে। তেমন কোনো আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই পুরোনো বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে বরণ করবে গোটা বাঙালি জাতি।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION